side bar

মঙ্গলবার, ৩ ডিসেম্বর, ২০১৩

গণতন্ত্র

কোথায় গণতন্ত্র আমাকে দেখাও দেখি
আগুনে জ্বালিয়ে মানুষ মেরে গণতন্ত্র হয়?
ক্ষমতার লোভে রক্তচোষার গণতন্ত্র
আমাকে সেই গণতন্ত্র এনে দাও দেখি
 যে গণতন্ত্রের শরীরের লাগবে না জাতির রক্তের দাগ
ঝরবে না প্রাণ;
অন্যায়-অবিচার-জুলুম-নির্যাতনের বিচার হবে ঠিকঠিক
শান্তির ভূমিতে বাজবে না অশান্তির ঢাকঢোলের শব্দের বাজ
এনে দাও দেখি এমন একটি গণতন্ত্র
 ক্ষমতাসীনদের থাকবে না রাক্ষুসের স্বভাব
জাতির কল্যাণে কাজ করে যাবে
নির্লোভ আর ত্যাগেই নিশ্চিত করবে রাষ্ট্রের সকল প্রজাতন্ত্রের সুখ
পারবে এমন একটি গণতন্ত্র আমাকে এনে দিতে? 

শনিবার, ১ জুন, ২০১৩

ফেসবুক স্ট্যাটাস

চলমান এই পথ হেটেছি কতবার
প্র্রেমের জানালায় তোমায় দেখেছি চোর হয়ে

বুধবার, ২৯ মে, ২০১৩

পৃথিবীতে কয়েক শ্রেণীর চোর আছে :
পৃথিবীর বুকে মানুষই একমাত্র অদ্ভূত প্রাণী। যে সৃষ্টিকর্তা ব্যতিত সব কিছুই করতে পারে। তাকে চেনা যায়; আবার তাকে চেনা যায় না। বড় অদ্ভূত সে! তার এই অদ্ভূত কিছু তুলে ধরতে এবারের এ আয়োজন-
১. সৌখিন চোর : মানুষই সৌখিন কিছু তৈরি করে। আবার আরেকজন মানুষই সেটার প্রতি লোভ করে সেটা চুরি করে। বেশির ভাগ ঘটে এটা বন্ধুত্ব ও পরিবারের আত্মীয়ের মধ্যে। অপরিচিতজনদের কাছ থেকে কিছুটা হলেও রক্ষা পেলেও নিকটস্থের কাছে সেটা যদি একটু বিপরীত ঘটে তাহলে রক্ষা নেই। তেমনি টেবিলে সাজানো ছিল সৌখিন মোমের পুতুলটা। নিকটস্ত একজন বেড়াতে আসার পরের দিন সেটা আর নেই। ঘরের পাশেই ছিল কালো কিংবা নীল গোলাপের গাছটা। সেখানে কিছু ফুল ফুটে ছিল। মাধুর্য্যের মা সেটা অনেক সখ করে সংগ্রহ করে লাগিয়েছিল গোলাপের চারাগুলো। বাসায় একদিন ভাড়াটিয়ার মেহমান এসে নিয়ে গেল সেটা। যদিও ফুলগুলো ছিঁড়তে একটা মানা ছিল-ফুল ছিঁড়বেন না কিন্তু কে শুনে কার কথা! ফুলগুলো যে খুব পছন্দ হয়েছে। যেভাবেই হোক সেটা চাই চাই; এই পরিকল্পনা খেলতে থাকে সৌখিন চোরদের বেলায়।
২. খাবার চোর : পৃথিবীতে মানুষ যখন চরম ক্ষুধার্তের মধ্যে সময় যাপন করে, তখন তার হিতাহিত বোধ থাকে না।
খাদ্যের খুজে ছুটে বেড়ায় পাগলের মতো। পেটের ক্ষুধাকে নিবারন করতেই সে খাবার চুরি করে।

৩. সম্পত্তি চোর : পৃথিবীতে সবচেয়ে নিমক হারামির কাজ করে এই শ্রেণীর চোর।  তাও আবার নিজের কাছের লোক। ভাই,চাচা,মামা এই শ্রেণীর মানুষরাই বেশি হয়। সম্পত্তি চুরির মধ্যে জমি, জমির দলিলাদি এবং গৃহের পালিত পশু। পৃথিবীতে যে কয়টি জিনিষের প্রতি মানুষের বেশি লোভ সেগুলোর মধ্যে জমিন একটি। এর অর্থ। কেউ কাউকে ভাল থাকতে দেখতে পারে না এই শ্রেণীর মানুষরাই সম্পত্তি চুরি করে থাকে নানা কৌশল অবলম্বন করে।

৪. লেখা চোর :  এই শ্রেণীর মানুষরা অন্যের লেখা চুরি করে নিজের নামে চালিয়ে দিতে চুরির করার জন্য ওঁত পেতে থাকে। অনেক ভদ্র লোক আছেন যারা জীবনে এক কলমও না লিখে লেখক বনে যান। বর্তমান অনলাইনে এই প্রভাবটা বেশি লক্ষ্য করা গেছে। একজনের লেখা আরেকজন চুরি করে তার নিজের নামে পোষ্ট করে দিচ্ছেন। এদের নেশাই হলো লেখা চুরি।

৫. ভাব বা আচরন চোর : পৃথিবীতে প্রত্যেক মানুষই একে অন্যকে অনুসরন করে। তা থেকে শিক্ষা অর্জন করে। কিন্তু এমন কিছু মানুষ আছেন যারা সেই অনুসরনটা কে পুজি করে নিজ স্বার্থ হাসিলের আশায় টার্গেটকৃত ব্যক্তির পুরো আচরণটাই চুরি করে। সেরকম মুখোশ পরে বিশাল ধরণের ক্ষতি করে।

৬. কারেন্ট চোর : যারা অবৈধভাবে বিদ্যুত সংযোগ নিয়ে তা ব্যবহার করে এই শ্রেণীরাই কারেন্ট চোর। কারণ এরা বিদ্যুত বিল দেয় না। সরকারকে ফাঁকি দিয়ে থাকে।

৭.কর্ম চোর : পৃথিবীর সবচেয়ে সুযোগ সন্ধানী ও অলস শ্রেণীরাই কর্মস্থলে কাজ ফাঁকি দিয়ে থাকে। অফিসে সময় মতোন যান না; হাজিরা খাতায় সই করেন না। ঠিক মত দায়িত্বপালন করেন না। এরাই কর্ম চোর বলে পরিচিত।

৮. বই চোর :  জীবনে এই শ্রেণীর লোকদের অনেক দেখা যায়। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে শুরু করে গৃহের টাকে সাজানো কিংবা টেবিলে রাখা অনেক প্রয়োজনীয় বই-ই চুরি হয়ে যায় অনেক সময়। যেগুলো আর ফেরত আসে না।

৯. তথ্য চোর : বর্তমান সময়ের সবচেয়ে আলোচিত উইকিলিকসের কথা কে না জানে পুরো দুনিয়াটাকে কাঁপিয়ে দিয়েছে তথ্য ফাঁস করে দেওয়ার হুমকি। ঢুকে ঢুকে বিশ্বের অনেক দেশ পানিও খেয়েছে এই আশংকায় কখন যে তার দেশের গোপন তথ্য ফাঁস হয়ে যায়। যুক্তরাষ্ট্র,ব্রিটেন,ইরাক,ইরান এমনকি বাংলাদেশকেও ছাড়েনি ভয়ের আশঙ্কা থেকে। অপর দিকে প্রতি মিনিটে তথ্য চুরি হয়ে যাচ্ছে গোপন সূত্রের দ্বারায়। এই কাজটি করে যাচ্ছে অনলাইনের বহুল আলোচিত হ্যাকার নামক এক সংগঠন। যারা ধ্বংস করে দিচ্ছে বিশ্বের মূল্যবান মূল্যবান ওয়েব সাইট। এছাড়াও বিভিন্ন প্রোগ্রাম বা সফটওয়ার  তৈরি করে হাতিয়ে নিচ্ছে অতি গোপনকৃত তথ্যগুলোও। তাছাড়াও ওয়েব সার্কিট ক্যামেরা,গোপন ক্যামেরার সাহায্যেও এক শ্রেণীর প্রতারক চক্র হাতিয়ে নিচ্ছে মূল্যবান সব লুকানো তথ্য । পরবর্তীতে সেটা ফাঁস করে দেওয়ার হুমকি দিয়ে স্বীয় স্বার্থ হাসিলের জন্য কিছূ উসুল নিতেই এতো দৌড় ঝাপ তাদের।
মানুষের সাথে অন্যান্য প্রাণীর মিল :
এই বিশ্ব পরিমন্ডলে মানুষই একমাত্র প্রাণী যাকে সর্বশ্রেষ্ঠ বলে ঘোষণা করা হয়েছে। পৃথিবীতে রয়েছে বহু জাতের প্রাণীর স্তর। যার সেইসব প্রাকৃতিক প্রাণীদের সাথে মানুষের আচার-আচরণ, চালচলন ও চারিত্রিক গুনাগুন মিল রয়েছে অন্যান্য প্রাণীর সাথে যুগপৎ ভাবে।  তাই এই পর্বে আলোচনা করবো মানুষের সাথে অন্যান্য প্রাণীদের সাথে মিলগুলো খুঁজতে গিয়ে আমি বেশ কয়েকটি ভাগে ভাগে বিভক্ত করেছি।

বুদ্ধিমান ও চালাক চতুর ক্ষেত্রে : প্রাণীকূলের মধ্যে এমন কিছু প্রাণী আছে যারা বুদ্ধিগুনে চতুর চালাক। বলা হয় প্রকৃতি হলো মানুষের শিক্ষক। এখান থেকে প্রতিনিয়ত শিক্ষা অর্জন করে মানুষ। এই চালাক চতুর প্রাণীর মধ্যে রয়েছে-শিয়াল। যদিও প্রত্যেক প্রানী তার জীবন চলার মধ্যে বুদ্ধি খাটিয়ে থাকে। তারপরেও শিয়ালকেই প্রাকৃতিক পন্ডিত বলে ধরা হয়েছে। এই শিয়ালের বুদ্ধিমত্তা ও চালাক চতুরতার সাথে মিল রয়েছে মানুষেরও। অনেকে কাক-শিয়ালের গল্প পড়েছেন। জেনেছেন হাসের বাচ্চা কে কিভাবে শিয়াল শিক্ষা দেওয়ার কথা বলে গ্রাস করে। এরকম শিয়ালরূপী মানুষ রয়েছে যাদের উপমা বা প্রবাদে বলা হয়ে-শিয়ালের কাছে মুরগী আদি দেওয়া।

সাহসী ও হিংস্রতা : প্রাণীকূলের মধ্যে অত্যাধিক সাহসী ও হিংস্র প্রাণী হলো বাঘ ও সিংহ। যারা বনের রাজা বলে পরিচিত। জঙ্গলের এরাই প্রধান। তারা ইচ্ছে করলেই নিরীহ প্রাণীদের শিকার করে খেতে পারবে । কিন্তু বিচার হবে না। বনের হরিণ,খরগোশ,ছাগল,গরু,মহিষ এরকম শ্রেণীর প্রাণীদের এই বনপ্রধান শিকার করে গলধকরণ করে। এদের আচরণের সাথে সাহসিকতার হুবুহু মিল রয়েছে মানুষের সাথেও। মুসলিম ইতিহাসে হযরত মুহম্মদ (সা.) যামানায় সাহাবী হযরত আলী (রা.)কে বাঘের সাথে তুলনা করা হতো। আসাদুল্লাহ্ বা আল্লাহর বাঘ। বাংলাদেশের কিছু কিছু ব্যাক্তি ও সংগঠনকেও বাঘ বলে নামডাক শুনা যায়। ক্রিকেটে টাইগাররাশেরে বাংলা ফজলুল হকে ‌বাংলার বাঘখেতাব দেওয়া হয়েছে। এই খেতাবের কারণ কি? কারণ সাহস! আর দ্বিতীয় হিংস্রতার দিক থেকে এসব প্রাণীদের চেয়েও ভয়ংকর। খুন-ধর্ষণ,অপহরণ চিত্রগুলো দেখলে যে কেউ মিলিয়ে দেখতে পারবেন মানুষের সাথে এই সাহসি ও হিংস্র প্রাণীদের মিল কোথায়?


বোকা ও নিরীহ : প্রানীকুলের মধ্যে রয়েছে প্রচুর বোকা প্রাণী। যারা অন্যের অধিনে কাজ করে যায়। হুকুমে তালিম করে। এই শ্রেনীর প্রাণীরা রয়েছে-গাধা,ঘোড়া ও হাতি। এরা হৃষ্টপিষ্ঠ হলেও মাথা নেই নেই কোন বুদ্ধি। তাই মালিকের দেওয়া নানা চাপ তারা নির্দ্বিধায় পালন করে থাকে। ঠিক এরুপ প্রাণীর মতো রয়েছে আমাদের পৃথিবীতে দাসপ্রথা বলে যেটা জানি। যারা দাসের শিকার হোন তারাই হোন এই শ্রেনীর প্রাণীদের মতোই। এটা এমন হতে বিভিন্ন চাকরি,দিনমুজুরীর ক্ষেত্রেও। এদের উপর মালিক পক্ষ অযাচিত্র অত্যাচার,নির্যাতন চালালেও তারা কর্ম হারানোর ভয়ে মাথা নিচু করে কাজ করে যায়। অপরদিকে তার বোকামীর জন্য তাকে গাধা বলেও তিরস্কার করি